![]() |
| “Illustrative image (AI generated |
ইরানের সরবরাহ করা ড্রোন প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করে আবার ইরানেই পাঠাচ্ছে রাশিয়া—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ইরান যে ড্রোন প্রযুক্তি মস্কোকে দিয়েছিল, এখন সেই প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণই ফেরত পাচ্ছে তেহরান।
গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর দিকে ড্রোনের ঝাঁক ছুড়ছে। যদিও ইরানের নিজস্ব ‘শাহেদ’ ড্রোন রয়েছে, রাশিয়ার প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এগুলো এখন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে।
ইউরোপীয় গোয়েন্দা সূত্র বলছে, চলতি মাসে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে ড্রোন স্থানান্তর নিয়ে ‘খুবই কার্যকর’ আলোচনা হয়েছে। তবে এটি এককালীন নাকি দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা—তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, মার্কিন হামলার ফলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
🚚 কীভাবে পাঠানো হচ্ছে ড্রোন?
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনগুলো সম্ভবত আজারবাইজান হয়ে সড়কপথে ইরানে প্রবেশ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, মানবিক সহায়তার ট্রাকের মধ্যেই গোপনে এসব ড্রোন বহন করা হচ্ছে।
সম্প্রতি রাশিয়া থেকে ইরানের আস্তারা সীমান্তে শত শত টন খাদ্য ও ওষুধ পাঠানো হয়েছে—যার আড়ালেই এই সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরের সন্দেহ জোরদার হয়েছে। যদিও মস্কো এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ভুয়া খবর’ বলেছে।
🤝 ইরান-রাশিয়ার গোপন সহযোগিতা
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুরুর আগেই রাশিয়া ইরানকে ড্রোন প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। বিনিময়ে ইরানও রাশিয়ার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করছে।
এমনকি উচ্চপর্যায়ের ইরানি কর্মকর্তার মৃত্যুর তথ্যও নাকি রাশিয়া আগে পেয়েছিল—যা এই সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে।
🚀 রাশিয়ার আপগ্রেড ড্রোনের ভয়ংকর ফিচার
রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তিতে ‘শাহেদ’ ড্রোন এখন আরও শক্তিশালী:
🎯 ডেকয় সিস্টেম – শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা বিভ্রান্ত করতে সক্ষম
⚡ জেট ইঞ্জিন + AI – দ্রুতগতি ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ
🛰️ অ্যান্টি-জ্যামার – সিগন্যাল ব্লক করলেও চালু থাকবে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নতুন ড্রোনগুলো বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
⚠️ কেন এটা বড় হুমকি?
জেটচালিত দ্রুতগতির ড্রোন ঠেকাতে অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল অস্ত্র প্রয়োজন। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর সামরিক চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
#Iran #Russia #DroneWar #MiddleEast #IsraelIranConflict

0 Comments