সরকার পরিবর্তনের পর গণভবনে প্রবেশাধিকারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একসময় যেসব গণমাধ্যম সেখানে প্রবেশের অনুমতি পেত না, তারা এখন তথ্য অনুসন্ধানে প্রবেশ করতে পারছে। সম্প্রতি, এক গণমাধ্যম গণভবনের ভেতরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের সন্ধান পেয়েছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গণভবনের মেডিকেল সেন্টারে শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার অসংখ্য মেডিকেল রেকর্ড পাওয়া গেছে। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো দুটি কোভিড অ্যান্টিবডি টেস্ট রিপোর্ট, যেগুলোতে পজিটিভ রেজাল্ট দেখা গেছে। অর্থাৎ, শেখ হাসিনা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
এছাড়াও, নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুসারে, শেখ হাসিনা তার নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। তিনি নিয়মিতভাবে নিজের পানির সরবরাহ রাসায়নিকভাবে পরীক্ষা করাতেন, গণভবনের প্রতিটি দেয়াল বুলেটপ্রুফ করিয়েছিলেন এবং নিরাপত্তার কারণেই গণভবনে বসবাস করতেন। ২০০১ সালে পাসকৃত এক আইনের মাধ্যমে মুজিব পরিবার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার লাভ করে, যার আওতায় শেখ হাসিনা এক টাকায় গণভবন লিজ নেন।
এই নথিপত্র থেকে স্পষ্ট হয় যে, গণভবন কেবল একটি বাসভবনই ছিল না, এটি ছিল সরকার পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকেই বিগত ১৫ বছর ধরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হতো, যা দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলেছে।
একদিন হয়তো এই ভবনের ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করে এটিকে একটি ঐতিহাসিক স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে। তবে আপাতত, এই ভবন সাক্ষ্য দিচ্ছে কীভাবে একটি সরকার জনগণের সমর্থন হারিয়ে

0 Comments