Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন

, picture create ai



 বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের শীর্ষস্থানীয় ১১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)-এ রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)।


কারা রয়েছেন এই তালিকায়?


ইন্টারপোলে পাঠানো তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার পাশাপাশি আরও ১১ জন সাবেক মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। এরা হলেন:


ওবায়দুল কাদের – সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী


আসাদুজ্জামান খান কামাল – সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


আ ক ম মোজাম্মেল হক – সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী


ড. হাছান মাহমুদ – সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী


জাহাঙ্গীর কবির নানক – সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী


মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল – সাবেক শিক্ষামন্ত্রী


শেখ ফজলে নূর তাপস – সাবেক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র


মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক – প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা


নসরুল হামিদ – সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী


মোহাম্মদ আলী আরাফাত – সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী


বেনজীর আহমেদ – সাবেক আইজিপি



অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট


এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ২০২৪ সালে সংঘটিত গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম ও নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। সেই আদেশের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশ ইন্টারপোলের কাছে তিন ধাপে রেড নোটিশ জারির আবেদন জমা দেয়।


প্রাথমিকভাবে এই আবেদন করা হয় ২০২৪ সালের নভেম্বরে। এরপর আরও তথ্য ও নথিপত্র যোগ করে জানুয়ারি ও মার্চে পুনরায় আবেদন করা হয়। এখনো পর্যন্ত ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রেড নোটিশ জারি করা হয়নি, তবে আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও অবস্থান


বিশ্ব গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর ইতোমধ্যে প্রচার পেয়েছে। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের একটি জায়গায় অবস্থান করছেন বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশ সরকার তার প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছে।


রেড নোটিশ কী?


‘রেড নোটিশ’ হচ্ছে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বিশ্বের সব সদস্য রাষ্ট্রে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত ও তাকে আটক করতে সহায়তা চাওয়া। এটি কোনো আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা নয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষকে ব্যক্তিকে ধরার অনুরোধ হিসেবে কাজ করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ