![]() |
| ২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো সাড়ে ২৩ হাজার কোটি টাকা |
বাংলাদেশের অর্থনীতি দিন দিন প্রবাসী আয়ের উপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ২২ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৩ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা পৌঁছেছে, যা দেশে বৈধভাবে পাঠানো ১৯২ কোটি ৯৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার সমপরিমাণ। এই পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও, বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে। প্রবাসীরা তাদের পরিবারের সহায়তায় বিভিন্নভাবে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বাড়াতে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক প্রবাহে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬৮ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০৯ কোটি ৪৩ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৩ লাখ ডলার পাঠানো হয়েছে। এই সংখ্যাগুলি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকরা তাদের দেশকে আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান করে চলছে, যা সরকারের জন্য এক বড় ধরনের সম্পদ।
যদিও রেমিট্যান্সের পরিমাণ জানুয়ারির তুলনায় কিছুটা বেশি, তবে ডিসেম্বরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ—২৬৪ কোটি ডলার। তবে, সামগ্রিকভাবে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক এবং এটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ সরকারের উদ্দেশ্য হলো, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করা। রেমিট্যান্সের প্রবাহ সচল রাখতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য সুবিধা বাড়ানো জরুরি। দেশের অর্থনীতির এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রবাসীদের অবদান অমূল্য।
এভাবে, রেমিট্যান্সের মাধ্যমে প্রবাসীরা কেবল তাদের পরিবারের উন্নতি করছেন না, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করছে।

0 Comments