ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাকে কর্মরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কী অভিযোগ রয়েছে ওসি শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে?
শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তিনি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে কলেজছাত্র মো. হৃদয় হত্যার মামলায় আসামি ছিলেন। এই ঘটনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঘটে, যখন তিনি গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত ছিলেন।
অন্য যেসব পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন
এ মামলায় শুধু ওসি শফিকুল ইসলামই নন, আরও তিনজন পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন। তারা হলেন—
এম আশরাফ উদ্দিন – গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিদর্শক
ফাহিম হাসান – কনস্টেবল
মাহমুদুল হাসান সজীব – কনস্টেবল
বদলির পরও গ্রেপ্তার
শফিকুল ইসলাম সম্প্রতি গাজীপুর মেট্রোপলিটন থানা থেকে বদলি হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ওসি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া
আদালত ইতোমধ্যে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে।
এ ঘটনায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোনও মন্তব্য না করলেও সূত্র জানিয়েছে, সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির অংশ হিসেবে অপরাধে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

0 Comments