![]() |
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী |
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেশের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।"
রাজশাহীতে সেনাপ্রধানের বক্তব্য
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সপ্তম "কর্নেল অব দ্য রেজিমেন্ট"-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, "আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের বাহিনী শুধু সামরিক সক্ষমতায় নয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকেও আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।"
সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেন এবং রেজিমেন্টের সব সদস্যকে আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, "ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমরা চাই, এই রেজিমেন্ট আরও শক্তিশালী হোক, যাতে ভবিষ্যতের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে।"
সেনাপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গিয়েও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত ভূমিকা পালন করছে। আমাদের দায়িত্ব হলো এই বাহিনীকে সর্বোচ্চ দক্ষ করে গড়ে তোলা।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা
এই অভিষেক অনুষ্ঠানে সেনাসদর, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সেনাপ্রধান কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং রেজিমেন্টের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সেনাবাহিনীর এই আধুনিকায়ন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের মতে, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক মানের একটি শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
Bangla n media 24

0 Comments